Description
সূচিঃ ভূমিকা – ৭ ভাল্লাগে না’র ইতিকথা- ১১ ভাল্লাগে না!- ১৭ কালকে করব- ২৫ কী করলাম জীবনে?- ৩২ পারব না- ৪১ লোকে কী বলবে?- ৪৭ কপালে নাই!- ৫৭ তো কী হইসে- ৬৪ আমার কী দোষ?- ৬৯ এই দেশের কিছু হবে না!- ৭৫ ফেসবুকে আমি হিট!-৮১ তুই আমাকে চিনস?- ৮৮ টেনশনে আছি- ৯৪ সময়ই তো পাই না- ১০৬ টাকা ছাড়া সম্ভব না!- ১১৫ মামা ছাড়া চাকরি নাই!- ১১৯ এখন আমি কী করব- ১২৬ মন বসে না কাজে- ১৩২ ও তো মেধাবী!- ১৪১ বন্ধুরা সব সাপ!- ১৪৬ আমি এমনই!- ১৫০ ব্যর্থতার সব ফর্মুলা একসঙ্গে- ১৫৯ ভাল্লাগে না’র ইতিকথা। ইতিকথা পরে বলছি। আগে বলি কীভাবে বইটা পড়বে। থাক, তার চেয়ে বরং বলি কীভাবে এই বইটা পড়বে না- ১. এক বসাতেই পুরো বই পড়ে শেষ করে ফেললা না, তাহলে দেখা যাবে অনুভব করার আগেই মূল অনুভূতিটা শেষ হয়ে যাবে। ২. বইটি কিন্তু আবার গান শুনতে শুনতে পড়া শুরু করে দিও না। বলা তো যায় না, দেখা গেল তীব্র অনুভূতিসম্পন্ন কোনো গান শুনতে শুনতে বইটি পড়লে, তারপর এই বইয়ের অনুভূতি আর তোমার ওই যে গানের তীব্র অনুভূতি—এই দুই অনুভূতির প্যাঁচ লেগে একটা বিদঘুটে অনুভূতির সৃষ্টি হয়ে গেল। ৩. ফোনে কথা বলতে বলতে বইটিতে হাত না দেওয়াই ভালো। যার সঙ্গে কথা বলছ, এখন বরং তার অনুভূতিটাই প্রাধান্য দাও। বইটি পড়ার সময় যা যা সঙ্গে রাখতে পারো- ১. হাইলাইটার : যেন গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগিয়ে রাখা যায়। ২. স্টিকি নোটস: (হলুদ রঙের আঠা লাগানো ছোট কাগজ) যেন নিজের কিছু আইডিয়া আসামাত্রই বইতে যোগ করে দেওয়া যায়। আর হ্যাঁ, বইয়ের কোথাও তুমি যদি এভাবে নতুন কিছু সংযোজন করো তাহলে অবশ্যই… অবশ্যই সেটার ছবি তুলে আমার ফেসবুক পেইজে (Ayman Sadiq) ইনবক্স করো। তাহলে হয়তো পরবর্তী সংস্করণে তোমার অংশটুকু জুড়ে দেওয়াও হবে। প্রিয় পাঠক, তাহলে আর দেরি কেন, চলো একসঙ্গেই শুরু করি পরবর্তী সংস্করণের কাজ….


0.0 Average Rating Rated (0 Reviews)