Description
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বে অনেক আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। প্রতিদিনের জীবনে প্রযুক্তি আমাদের প্রতিদিনের কাজের উপায়গুলোকে অনেকাংশে বদলে দিয়েছে। ২১ শতকে কন্টিনিউয়াস লার্নিং এন্ড রি- স্কিলিং আপনার শেখার মূলমন্ত্র হওয়া উচিত।
সৃজনশীল কাজ করার ক্ষমতা, একবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার্থীদের খুব আলাদা একটি দক্ষতা হিসাবে সেট করা প্রয়োজন।সেজন্যই আমাদের নতুন ২১ শতকের ডিজিটাল বিশ্বে আপনার সাফল্যের জন্য একবিংশ শতাব্দীর স্কিলগুলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জব মার্কেটের জন্য রপ্ত করা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।একবিংশ শতাব্দীর স্কিল আমাদের শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং কর্মক্ষেত্রে সফল হতে এবং টিকে থাকতে সহায়তা করে।
হার্ড স্কিল এবং সফট স্কিলর উভয়ই ওয়ার্কিং ওয়ার্ল্ডে থাকা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। যেকোন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে জয়েন করার পর আপনাকে বেশ কিছু নিয়ম, মান্যারস এবং স্কিল এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু যারা একদম নতুন হিসেবে জয়েন করেন তারা হয়ত নাও জানতে পারেন কীভাবে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে ক্রিটিকাল থিঙ্কিং, ক্রিয়েটিভলি প্রবলেম সল্ভ করতে হয়, টাইম ম্যানেজমেন্টে দক্ষ হতে হয় কিংবা ইফেক্টিভ কমিউনিকেশন এর সাথে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক ঠিক রেখে কীভাবে টিম ম্যানেজমেন্ট এ ভালো ইম্প্যাক্ট রাখা যায় ? চাকরি পাওয়া, চাকরিতে পদোন্নতি ও ক্যারিয়ারে সফলতা পেতে সফট স্কিলকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়।


0.0 Average Rating Rated (0 Reviews)